বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ফসল – চুকাই

চুকাই (Hibiscus sabdariffa) একপ্রকার উপগুল্ম _ (subshrub) জাতীয় উদ্ভিদের ফল।ফলটি টক স্বাদযুক্ত; রঙ গাঢ় লাল। এর ইংরেজি নাম রোসেলা বা সরেল (Rosella, Sorrel)। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই গাছের বানিজ্যিক চাষ করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ারদেশ বাংলাদেশেও এই ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সর্বত্রই ফলটি জন্মে, তবে বানিজ্যিক চাষ হয় না। ক্রান্তীয় আফ্রিকা চুকাই গাছের আদি নিবাস বলে ধারণা করা হয়।

এটি অপ্রকৃত ফল। বৃতি এর ভক্ষ্য অংশ, যা খুবই পাতলা এবং পরিমাণে অল্প; গর্ভাশয় বড় এবং ছোট ছোট হুলযুক্ত। ভক্ষ্য অংশটি গর্ভাশয়কে ঘিরে থাকে। পরিপক্ক গর্ভাশয়ে অনেকগুলো বীজ থাকে। এটি বিদারী ফল, অর্থাৎ পাকলে এটি ফেটে যায় এবং বীজ ছড়িয়ে যায়।

বাংলাদেশে এটি একটি অপ্রচলিত ফল। টক স্বাদের কারণে জ্যাম, জেলি বা আচার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এটি। এছাড়া এদেশে টক বা খাট্টা রান্না করেও খাওয়া হয়। এর মধ্যে ‘পেকটিন’ আছে বলে শুধুমাত্র চিনি ও চুকাই দিয়ে সহজেই জ্যাম তৈরি করা যায়, আলাদাভাবে পেকটিন মেশাতে হয় না।চুকাইয়ের পাতা ও ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, কেরোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-সি ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান থাকে।

অস্ট্রেলিয়া, বার্মা এবং ত্রিনিদাদে এই ফলটি জ্যাম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এই জ্যাম লালভর্তা নামে পরিচিত। ইংরেজিতে যাকে সরেল জেলি নামে ডাকা হয়।

চুকাই অনেক দেশে সস্তা সবজি হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়। সম্ভবতঃ এটি মায়ানমারের সবচে জনপ্রিয় সবজি। চুকাই পাতা রসুন, কাঁচামরিচ ও চিংড়ি মাছ বা অন্য মাছ সহযোগে ভাজি করে অথবা তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। চুকাই পাতা ও চিংড়ি শুটকি দিয়ে টক বা খাট্টা রান্না করেও খাওয়া হয় এবং এটি মায়ানমারে বেশ জনপ্রিয়।

ইতালি, আফ্রিকা ও থাইল্যান্ডে চুকাই পাতা দিয়ে ভেষজ চা বানিয়ে খাওয়া হয়। ত্রিনিদাদে বিয়ারের সাথে এই চা মিশিয়ে খাওয়ার রেওয়াজ আছে

বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও চুকাইয়ের চাষ একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি চুকাই প্রক্রিয়াজাত করেও ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া বিদেশে চুকাইয়ের-এর প্রচুর চাহিদা থাকায় চুকাই থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ চুকাই উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বাণিজ্যিকভাবে চুকাই চাষ করছে, পাশাপাশি নতুন নতুন খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কলকারখানা স্থাপন করছে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। অদুর ভবিষ্যতে চুকাইকে ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনে প্রক্রিয়াজাতকরণ কলকারখানা গড়ে ওঠতে পারে যার ফলে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। দেশের কৃষক ও জনগণকে এই ফসলের উপকারিতা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে পারলে চুকাইর চাষ সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। তবেই চুকাির বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিণত হবে।

ধন্যবাদ

আফসানা দীপা, কিশোরগঞ্জ থেকে।

♥️অস্কার পুরস্কার♥️

একাডেমি পুরস্কার (ইংরেজি: Academy Award) বা অস্কার (Oscar) হলো একাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস এন্ড সায়েন্সেস (AMPAS) কর্তৃক প্রদত্ত একটি বার্ষিক পুরস্কার, যেখানে রূপালি জগতের অসাধারণ পেশাদার যেমন পরিচালক, অভিনেতা, এবং লেখকদের কাজকে সম্মানে ভূষিত করা হয়। যে আনুষ্ঠানিক পর্বের মাধ্যমে পুরষ্কারগুলো প্রদান করা হয় তা পৃথিবীর সেরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দলভুক্ত। তাছাড়া এটি গণমাধ্যমের সবচেয়ে পুরনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সারা বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে থাকেন। একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদান হয়। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১২ পর্যন্ত হলিউডের কোডাক থিয়েটারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের নকিয়া থিয়েটারে অস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হবে মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পুরস্কারের প্রথম বছরে, ট্রফিকে একাডেমি আ্যওয়ার্ড অফ মেরিট নামে প্রদান করা হয়। অস্কার নামের উৎপত্তি স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত যে, ১৯৩১ সালে এই নামটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল।একাডেমির সাবেক বোর্ড সচিব মার্গারেট হেরিক বলেন, “সে আমার চাচা অস্কারের মত দেখাচ্ছে!”। বেটি ডেভিস বলেছিলেন যে এটি তার প্রথম স্বামী হার্মন “অস্কার” নেলসনের মত দেখতে। চলচ্চিত্রের কলাম লেখক সিডনি স্কলস্কি দাবি করেন যে, তিনি অস্কার নাম প্রদানকারী।

যদিও “অস্কার” নামটি মূর্তির সরকারী নাম নয়। কিন্তু এটি ডাকনাম হিসেবে ট্রেডমার্ক সুরক্ষিত।

মূর্তি প্রায় সাড়ে ১৩ ইঞ্চি লম্বা এবং প্রায় সাড়ে আট ৮ পাউন্ড ওজনের।

ধন্যবাদ

আফসানা দীপা

❣️খান একাডেমি ❣️

আসসালামু আলাইকুম SA creation এর সকল সদস্যদের। পড়াশোনার বিকল্প শুধু পড়াশোনা। প্রেজেন্টেশন পোস্ট গুলো তৈরি করতে গিয়ে অনেক নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারছি। আজকের টপিক খান একাডেমি।

খান একাডেমি (ইংরেজি: Khan Academy) একটি মার্কিন অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের হাতে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে “সকলের জন্য, সব জায়গায় বিনামূল্যে বিশ্বমানের শিক্ষাদান” স্লোগানে কাজ করে আসছে।

কীভাবে ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা সহায়ক পাটাতন (platform) গড়ে তোলা যায়, এই চিন্তা থেকেই খান একাডেমির যাত্রা শুরু। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত একাডেমির নিজের ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রায় ৩১০০ এর বেশি ভিডিও টিউটোরিয়াল নির্মাণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি , যার সবকিছু বিশ্বজুড়ে যে কারো জন্য মুক্তভাবে উপলভ্য। খান একাডেমির ওয়েবসাইটের শুরুর দিকের ভাষা ইংরেজি হলেও বর্তমানে এর আধেয়সমূহ (contents) এসপানঞল, পর্তুগিজ, ইতালিয়ানো, রুস্কি, তুর্কি, ফরাসি, বাংলা এবং হিন্দি সহ ৪৯টি ভাষায়ও উপলভ্য।

ইউটিউবে সালমান খান একাউন্ট তৈরি করেন ২০০৬ সালের ১৬ই নভেম্বর। খান একাডেমি বিভিন্ন বিষয়ের উপর তিন হাজারের বেশি ভিডিও লেকচার, টিউটোরিয়াল তৈরি করেছে। বিষয়গুলোর মধ্যে আছে বীজগণিত, পাটিগণিত, ইতিহাস, ব্যাংকিং, পদার্থবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, ভেনচার ক্যাপিটাল, ক্রেডিট ক্রাইসিসের উপর নানা বিষয়ে অসংখ্য ভিডিও। যেকেউ খুব সহজেই যেকোনো সময়ে বিনা পয়সায় তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়টি জেনে নিতে পারবেন। প্রথম দিকে সালমান তার অবসর সময়গুলোতে এই ভিডিওগুলো তৈরি করতেন। ২০১০ সালের মে মাস থেকে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তার এই প্রকল্পে এগিয়ে আসে। এদের মধ্যে গেটস ফাউন্ডেশন এবং গুগল অন্যতম। কিছু মানুষ ১০০০০ ডলার অনুদান দেয়, অ্যান ও জন ডর অনুদান দেয় ১০০,০০০ ডলার, ওয়েব সাইটের বিজ্ঞাপন থেকে আসত মাসে ২০০০ ডলার। তারপরে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুগল তাদের প্রজেক্ট টেন টু দ্য হান্ড্রেড-এ খান একাডেমিকে ৫টি প্রকল্পের একটি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করে ও ২ মিলিয়ন ডলার দেয় যাতে খান একাডেমি আরো বেশি কোর্স তৈরি করে ও সারাবিশ্বে জনপ্রিয় ভাষায় সবগুলি লেসন/টিউটোরিয়ালকে অনুবাদ করে। গুগল যখন খান একাডেমিকে ২ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার প্রদান করে তখন তাদের ভিডিওর সংখ্যা ছিল ১৬০০।

ধন্যবাদ

Afsana Deepa

Lecturer – Social work

R.S. Ideal College. Kishoreganj

ই-কমার্স ক্লাব

পর্ব -১

ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়।

ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (B2B):
ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে। ৮০ শতাংশের (৮০%) মত ইলেকট্রনিক কমার্স ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা প্রকার এর অন্তর্ভুক্ত।

ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক (B2C) ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে। এই প্রকারে দ্বিতীয় সর্বাপেক্ষা বেশি ইলেকট্রনিক বাণিজ্য সম্পাদন হয়ে থাকে।
ব্যবসা-থেকে-সরকার (B2G):
ব্যবসা-থেকে-সরকার ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় খাতের মধ্যে। এটি সাধারনত ব্যবহৃত হয়ে থাকে রাষ্ট্রীয় কেনা/বেচা, লাইসেন্স সংক্রান্ত কার্যাবলী, কর প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে।

গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক (C2C):
গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যক্তি ও গ্রাহকের মধ্যে। ইলেকট্রনিক বাজার ও অনলাইন নিলাম এর মাধ্যমে সাধারণত এই ধরনের বাণিজ্য সম্পাদিত হয়।

মোবাইল কমার্স (m-commerce):
মোবাইল কমার্স ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় তারবিহীন প্রযুক্তি যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেট বা পারসোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট (PDA) এর মাধ্যমে। তারবিহীন যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ধরনের বাণিজ্য জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

গ্রাহক থেকে সরকার (সি টু জি):
কখনো সরসরি জনগনের কাছ থেকে সরকার বিভিন্ন সেবার বিনিময় ফি বা কর নিয়ে থাকে। যখন এর মাঝে কোন মাধ্যমৈ থাকেনা তখন এটা গ্রাহক থেকে সরকার পক্রিয়া বলে বিবেচিত হয়। ডিজিটাল গভর্নেন্স-এর আওতার এ ধরনের সেবা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ক্লাব বা সংঘ মানেই হলো কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর মিলনায়তন। তাউ প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে এ বিষয়ে আপনার বন্ধুবান্ধবের দৃষ্টিকোণ কিরুপ। তারপর দেখবেন ক্লাব তৈরি হলে আপনি যথাযথ সাপোর্ট অর্থাৎ সদস্য, ডোনার এবং রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন কিনা।

বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কুল কলেজ পর্যায়ে এখন সব অনলাইন ভিত্তিক। এখন পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন এসাইনমেন্ট, পরীক্ষা, মূল্যায়ন সব কিছু ইন্টারনেটের মাধ্যমে হচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের সবার প্রথমে ই-কমার্স সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে।

ই-কমার্স সম্পর্কে ধারণা দিয়ে তাদের মধ্যে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সম্পর্কে অবগত হতে হবে। ই-কমার্স সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন হলে, ই- কমার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত করা কোন ব্যাপার না।

২০১৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে যাত্রা শুরু করলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ‘ই-কমার্স ও উদ্যোক্তা ক্লাব’ (ইইসি-জেইউ)। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক কমার্স ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ গ্রহণের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সংগঠনটি কাজ করা শুরু করে।

মেকিং আইডিয়াজ হ্যাপেন’ স্লোগানে ‘এ পোর্টাল টু এ ডিজিটাল লার্নিং ফিউচার’ গড়ার লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে।ই-কমার্স ও উদ্যোক্তাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ই-লার্নিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এসইও, কন্টেন্ট রাইটিং, ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ ডেভলপমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, কমিউনিকেশন প্রভৃতির উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করবে এ সংগঠন।

আবার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের কথাই যদি আমরা কল্পনা করি তাহলে দেখা যাবে এখানে শুধুই কেনাবেচাই আসল কাজ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত আছে অনেক প্রতিষ্ঠান। আবার সেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে কোটি কোটি মানুষের কাজ বা আয়ের উৎস। অর্থাৎ পুরো বিশ্বই এখন যুক্ত আছে ই-কমার্সে সঙ্গে।

দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ই-কমার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বেসিক নলেজ সম্পর্কে জানতে পারবে। শিক্ষার্থীরা শুধু মাত্র চাকরির আশা না করে আত্মকর্মসংস্থান এর সুযোগ নিজেরাই সৃষ্টি করবে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে যে ঐতিহ্যের কথা আছে সেগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে। শিক্ষার্থীরা নিজের দেশের পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে নিজেদের আয়ের পথ তৈরি করতে পারবে।

তাই ই-কমার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা অনেক লাভবান হবে। এখন শুধু এই ক্লাব প্রতিষ্ঠিত করতে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত এটাকে বিস্তৃত করতে হবে।

ধন্যবাদ আমার স্বল্প জ্ঞানে ই-কমার্স সম্পর্কে একটু লেখার চেষ্টা করলাম।

Afsana Deepa

Lecturer – Social Work

R.S. Ideal College. Kishoreganj.

বেবুদ রাজার দীঘি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার ঐতিহাসিক  এগারসিন্দুর। যেটি একটি ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নে রয়েছে প্রাচীন বাংলার অনন্য নিদর্শন। এ ইউনিয়নেরই একটি গ্রাম মজিতপুর। মজিতপুরে রয়েছে কিংবদন্তির বেবুদ রাজার দীঘি, বৈষ্ণব চূড়ামনি শ্রী শ্রী বংশীদাস বাবাজীর আশ্রম, আংচি চোরার বিলসহ একাধিক প্রাচীন স্থাপত্য।

কথিত আছে, এগারসিন্দুরে বেবুদ নামে একজন হাজং রাজা বাস করতেন। একবার প্রচণ্ড খরা দেখা দেয়ায় বেবুদ রাজা প্রজাদের হিতার্থে পঞ্চাশ একর জমি বিস্তৃত একটি দীঘি কাটলেন। কিন্তু পানির নাম-গন্ধ নেই। এরই মধ্যে রাজা স্বপ্নে দেখেন যে, তার রানি যদি দীঘিতে নামে তবে পানি উঠবে। স্বপ্নটি রাজা রানিকে জানালে প্রজাদের মুখের পানে চেয়ে রানি দীঘিতে নামতে রাজি হলেন। তাতে রাজাও খুশি হলেন এবং পরদিন রানিণ একবাটি কাঁচা দুধ, পান-সুপারি ও সিঁদুর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দীঘিতে নামলেন। সাথে সাথেই দীঘির চারপাশ থেকে স্বচ্ছ জল এসে দীঘি ভরে গেল। কিন্তু রানি আর দীঘি থেকে উঠতে পারলেন না। চোখের পলকে রানির কেশগুচ্ছ বৃত্তাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিমজ্জিত হয়ে গেল। রাজা রানির জন্য পাগলপ্রায় হয়ে গেলেন। এ দীঘির পানিতে গাছের পাতা কিংবা অন্য কোন কিছু পড়ে থাকলে তা পরদিন সকালে তীরে এসে জমা হয়।

লোকমুখে শোনা যায়, কোন অনুষ্ঠানের জন্য দীঘির পাড়ে দাঁড়িয়ে থালা, বাসন ও অন্যান্য তৈজসপত্র চাইলে পরদিন দীঘির পাড়ে পাওয়া যেত। তবে শর্ত ছিল যা যা নেয়া হত তা সঠিকভাবে ফেরত দিতে হবে। কিন্তু একদিন কেউ এ শর্ত ভঙ্গ করায় এরপর থেকে তৈজসপত্র আর পাওয়া যায় না। আংটি চোরার বিল এগারসিন্দুরে বেবুদ রাজার দীঘির দক্ষিণ-পূর্বাংশে একটি নিচু জলাশয়ই আংটি চোরার বিল নামে পরিচিত। একদিন বেবুদ রাজা তার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে পাশের জলাশয়ে নৌকা বিহারে যেয়ে তন্দ্রা অবস্থায় থাকলে তার এক বন্ধু রাজার হাতের আংটিটি কৌশলে চুরি করার সময় আংটিটি গিয়ে বিলের পানিতে পড়ে যায়। এ অবস্থার পর রাজার কাছে ঘটনা খুলে বললে রাজা উন্মাদ হয়ে যায়। কারণ এ আংটিটি ছিল অলৌকিকভাবে তার দীঘিতে ডুবে যাওয়া পত্নী শম্পা রানি থেকে পাওয়া। তারপর উক্ত বিলের পানি ছেঁকেও আর হারানো আংটিটি পাওয়া যায়নি। সে ঘটনার পর থেকে এ বিলটির নাম হয় আংটি চোরার বিল।


অ্যামাজন।

অ্যামাজন হলো যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক খুচরো বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত।

জেফ বেজোস নিউ মেক্সিকোতে জন্মগ্রহন করেন। তার পুরো নাম জেফ্রি পেস্ট্রন বেজোস। তিনি তড়িৎ প্রকৌশল এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।পেশায় চাকরিজীবী থাকা অবস্থায়ই নিজের ব্যবসাকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজের বাসার গ্যারেজে বর্তমান অ্যামাজন বা ক্যাডবরা ইনক প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই।।

অ্যামাজনের সদর দপ্তর সিয়েটাল, ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র। পুরনো বই বিক্রি দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও বতমানে অ্যামাজনে কি পাওয়া যায় হিসাব না করে কি পাওয়া যায় না তার হিসাব করা সহজ। কারন প্রায় সবকিছুই পাওয়া যায় এ সময়ে। পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে আপনি যে কোন সময় পন্য ক্রয় করতে পারবেন অ্যামাজন থেকে।
অ্যামাকনে বর্তমানে প্রায় ১,০০০,০০০ কর্মী রয়েছে।
অ্যামাজনের ওয়েবসাইট amazon.com
বানিজ্য অঞ্চল বিশ্বব্যাপী।

অ্যামাজনেী পরিষেবা সমূহ হলোঃ

অ্যামাজন ফ্রেশ
অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস
অ্যামাজন এলেক্সা
অ্যামাজন এপস্ট্রোয়ার
অ্যামাজন ড্রাইভ

অ্যামাজন এর পন্য ও সেবাসমূহঃ

১) এনাইন কম ইনক
২) আবেবুকস অ্যামাজন এয়ার
৩) অ্যামাজন ইন্টারনেট
৪) অ্যামাজন বুকস
৫) অ্যামাজন গেইম স্টুডিওস
৬) অ্যামাজন ল্যাব
৭) অ্যামাজন লজিস্টিক ইনক
৮) অ্যামাজন পাবলিশিং
৯) অ্যামাজন রোবোটিক
১০) অ্যামাজন কাম সার্ভিসেস ইনক
১১) অ্যামাজন স্টুডিওস
১২) অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনক
১৩) বডি ল্যাবস
১৪) বুক ডিপোজিটরি
১৫) ডিজিটাল ফটোগ্রাফি
১৬) হোল ফুড মার্কেট।

শুরুটা বই ব্যবসায়ী হিসেবে হলেও পরবর্তীতে B2 B এর মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে ব্যবসা।

সাদা পনির

সাদা পনিরের জন্য বিখ্যাত কিশোরগঞ্জের হাওরের রানীখ্যাত উপজেলা অষ্টগ্রাম। পনির শিল্পের সূতিকাগার অষ্টগ্রামের বাইরেও তৈরি হয় এ পনির। এবার এর মাধ্যমেই সারাদেশে আরও পরিচিতি বাড়বে কিশোরগঞ্জ জেলার। কারণ জেলার ব্র্যান্ডিং পণ্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে পনিরকে। সারাদেশে এটার পরিচয় হবে- ‘কিশোরগঞ্জের পনির’, আর কিশোরগঞ্জের পরিচিতি হবে- ‘পনিরের কিশোরগঞ্জ’। পুরো ব্যাপারটির স্লোগান হচ্ছে- ‘হাওর-বাঁওড় মাছে ভরা, কিশোরগঞ্জের পনির সেরা।’ জেলা ব্র্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার সুস্বাদু পনিরের খ্যাতি বিশ্বব্যাপী। এটা দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হয়ে থাকে। দেশের সর্বোচ্চ স্থান বঙ্গভবন-গণভবন থেকে শুরু করে সুদূর ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রশংসা হয় এর স্বাদের।

অষ্টগ্রামের পনিরের ঐতিহ্য প্রায় সাড়ে তিনশ’ বছরের। ১৯৬০ সালে অষ্টগ্রামে প্রায় ঘরে ঘরে পনির তৈরি করা হতো। ওই সময় অষ্টগ্রামে পনির ব্যবসায়ী ছিলেন ৩০-৩৫ জন। সেই সময় আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, ইতালিতে পনির যেত; এখনও যাচ্ছে। প্রতি কেজি পনিরের দাম ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা।
অষ্টগ্রামে বর্তমানে পনির ব্যবসায়ী রয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন। পনির ব্যবসার দুরবস্থায় অন্তত ১০ জন পনির ব্যবসায়ী পাড়ি জমিয়েছেন ঢাকার নবাবপুর-মোহাম্মদপুর, সিলেট ও চট্টগ্রামে। পনির তৈরি ব্যয়বহুল হওয়ায় ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন অনেকেই।

দুধের দাম, হাওরে চাইল্যাঘাসের অভাব, গাভীর অভাব পনির ব্যবসায়ী কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করেছেন স্থানীয়রা। আবার আধুনিক যুগে ট্রাক্টরের ব্যবহার বৃদ্ধি, গরু-মহিষের চাহিদা অনেকটা কমে যাওয়াও পনির ব্যবসায়ী কমে যাওয়ার বিশেষ কারণ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রিয় খাবারের তালিকার মধ্যে আছে অষ্টগ্রামের পনির। তিনি অষ্টগ্রামে এলে যেমন পনির খেয়ে যান, বঙ্গভবনে যাওয়ার সময় আবার নিয়েও যান।

ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ আলী বলেন, ‘দিন দিন পনির তৈরির কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মানুষ। তবে কিছুদিন ধরে পনিরের চাহিদা বেড়েছে। যারা অষ্টগ্রাম ছেড়েছেন তারাও ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামে গিয়ে ব্যবসা করছেন। সরকারি সহায়তা পেলে দিন দিন বৃদ্ধি পাবে এ ব্যবসা।’

Assalamu Alaikum, by the infinite mercy of Allah, I hope everyone is well. Today I will talk about my pet bird. My pet bird is the pigeon. I have two pairs of pigeons. My Son’s are very happy to get pigeons. Today I tried to write something about pigeons. Pigeons or doves are a kind of popular domesticated bird. Its meat is used as human food. In ancient times, letters were exchanged through pigeons. Pigeon flying competitions have been practiced since ancient times. The scientific name of the domesticated pigeon is Columba livia domestica. All domesticated pigeons originate from wild pigeons (Columba livia). There are about 200 species of pigeons in the world. There are about 30 species of pigeons in Bangladesh. There are these pigeons all over Bangladesh. The climate of Bangladesh and the vast crop fields are very suitable for pigeon rearing. In the past, pigeons were used as messengers and game birds. But the barbarians are being used as a source of nutrition, prosperity, ornamental and alternative income. They can contribute to socio-economic development through proper care, maintenance and management. Pigeon rearing is now not just a hobby and entertainment but it is now considered a lucrative business. Apart from enhancing the beauty of the pigeon house and environment, it can be reared at low cost and with little hassle. Giribaj is very popular among the pigeon breeds in Bangladesh. No more today. All will be well. Afsana Deepa. Lecturer – Social work R.S Ideal College. Kishoreganj.

Tourist centre Kishorganj

Kishoreganj district is better known as Haor-Baor district.  There is immense potential for tourism around the haor.  If you want to get food for the experience of small villages floating like an island in the water, clear water games, fishermen’s busyness in fishing, small water forests, there is no alternative to boat ride in Nikli Haor of Nikli Upazila of Kishoreganj.

During the monsoon season, the haor of Kishoreganj has become a wonderful and scenic spot for divers and travelers.  In the presence of thousands of visitors every day, the newly created spots of the haor are becoming more and more popular.  In particular, Balikhla, Chamraghat of Karimganj Upazila, Chhatirchar Karsban and Beribandh of Nikli Upazila, Akhra of Mithamin Upazila of Delhi, Hijal Forest adjoining Akhra, Hasanpur Bridge, Hijaljani of Tarail Upazila, Anti-British Revolutionary Barrister of Itna Upazila, Bhupesh Gupta,  The historical Qutub Mosque etc. built during the period fascinates and arouses every tourist.

The incredible All-Weather Road connecting Mithamin-Itna-Ashtagram Upazila is a wonder of Haor tourism.  As a result, radical and revolutionary changes have taken place in the whole haor scene.  This road has not only changed the communication system of the whole haor area, but has also strengthened the economic base of the whole haor.  There is a new touch of change in the living standards of the people of Haor.  This all-weather road, which flows through the heart of the rough haor during the rainy season, evokes a strange and magical scene. 

Tourists flock from all over the country to enjoy this extraordinary beauty on the Nikli embankment and the all-weather road in Mithamin.  The 35 km all-weather road from Itna to Ashtagram Upazila via Mithamin has become an irresistible tourist attraction.  This once neglected and remote town of Mukhrit Haor is now visited by thousands of tourists every day.  The massive influx of tourists has opened new avenues for employment for the region’s poor unemployed youth.  Many young people are earning a lot of money every day by transporting motorbikes, easybikes and other vehicles.  A class of professional boatmen are getting the opportunity to earn money by taking tourists to deep haor by boat, trawler and speedboat.  In addition, the cost of transporting goods has come down a lot as the communication system has become easier.  As a result, there is easy availability of essential commodities in the market and the prices have come within the purchasing limits.  More than two hundred temporary hotels, restaurants and food shops have been set up at Balikhla, Chamraghat, Mithamin Sadar, Nikli Beribandh and Itna-Ashtagram Sadar in Haor to cater to hundreds of families.  In the overall economic system, these infrastructures of Haor are playing a huge role in the overall development of the country.  Local law and order situation has also become more normal than before as unemployed youths have turned to work.  It is known that nowhere in Bangladesh is there such a long second road in the middle of the haor.

This all-weather road in Haor and other infrastructures have become a unique address for eye-catching beauty, entertainment and serenity.

Afsana Deepa
Lecturer – Social Work
R.S Ideal College. Kishorganj

Historical Pagla Mosque

Pagla Mosque is located on the banks of Narsunda river in Harua area of Kishoreganj district headquarters.  The historic Pagla Mosque is about two hundreds years old.  This insane mosque with three storey building was built on 3 acres and 6 percent land.  The roof of the three-storey building has three large domes and a minaret equal to the five-storey building.

It is said that many years ago, a spiritual devotee sat on a mat, floated in the river Narsunda and took up position in this place of the mosque.  Gradually many fans gathered around him.  After the death of the spiritual saint, he is buried there.  Later a mosque was built next to his grave and it came to be known as Pagla Mosque.

The Pagla Mosque is not only a religious place of worship for Muslims, but also for other religions.  In a word, it is a universal religious center for people of all faiths.
There is an advantage for thousands of worshipers to stand together and perform prayers, and there is also an advantage for women to perform prayers.

This historic Pagla Mosque in Kishoreganj has a special spiritual significance.  People believe that if someone donates something to a mad mosque with sincere intention, then Allah fulfills all the desires of his mind.
Due to such belief, many people donate a lot of money and even gold and silver to the Pagla Mosque.  The Pagla Mosque has already gained recognition as one of the most lucrative institutions in the country due to its large charitable donations.  Lots of foreign currency is also available.

A portion of this income is spent on various service activities.  Various madrasas and orphanages are run with part of this income.
An orphanage has been built next to the Pagla Mosque. The orphanage is also run with the money of the Pagla Mosque.

Afsana Deepa

Lecturer – Social Work

R.S Ideal College. Kishorganj